ইষ্টভৃতি নিয়ে আলোচনা-প্রসঙ্গে ২০শ খন্ড

ইষ্টভৃতি নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গের ২০শ খন্ডের ৭, ৩৩, ৪৯, ১০৩, ১১৬, ১৫০, ১৬০, ১৬৩, ২০৫, ২৩২, ২৩৮, ৩১৪ পৃষ্ঠায় আলোচনা রয়েছে। নিম্নে সেগুলো উল্লেখ করা হলো।

২৭শে কার্ত্তিক,১৩৫৭, সোমবার, (ইং ১৩/১১/১৯৫০)

সন্ধ্যায় শ্রীশ্রীঠাকুর নূতন তাঁবুতে।

জনৈকা মা তার ছেলের অবাধ্যতা ইষ্ট-বিমুখতা ইত্যাদি সম্বন্ধে নানা অনুযোগ করছিলেন।

শ্রীশ্রীঠাকুর—ছেলেপেলের যদি মা-বাপের উপর ভক্তি না থাকে তাদের গুরুভক্তিও হয় না, গুরুর নির্দ্দেশমতোও চলতে পারে না। ওই গোড়ার বাঁধন ঠিক না থাকলে কিছুই হয় না। তাই, তোর প্রতি নেশা যাতে হয় তাই কর।

উক্ত মা—আমার উপর নেশা হবে কি করে? আমার তো পয়সাকড়ি নেই, কিছু দিতে পারি না।

শ্রীশ্রীঠাকুর—টাকার জন্য নেশা হ’লে, সে নেশা টেকে না, ছুটে যায়।

উক্ত মা—জ্যোতিষী বলেছে ৩/৪ বছর পরে ওর মৃত্যুযোগ আছে।

শ্রীশ্রীঠাকুর—মৃত্যু তো মানুষের যে-কোন সময় হ’তে পারে—কিন্তু খুব ক’রে নাম করতে হয়। আর, ইষ্টভৃতিটা ঠিকমত করতে হয়। এতে অনেক কিছু, কেটে যায়।

১০ই পৌষ, ১৩৫৭, মঙ্গলবার, (ইং ২৬/১২/১৯৫০)

….
এরপর সমস্তিপুরের ভাইরা এসে প্রশ্ন তুললেন ইষ্টভৃতি সম্বন্ধে।

শ্রীশ্রীঠাকুর—এতে আমরা যা’ আহরণ করি, আমাদের কর্ম্ম, বাস্তব জীবন, বুদ্ধি সুকেন্দ্রিক হ’তে থাকে এবং তার ভিতর-দিয়ে এমন একটা শক্তির সমাবেশ সংহত হ’তে থাকে যা বিপদ-আপদের সময় আমাদের রক্ষা করে। জেমসের কথার মধ্যেও এর সমর্থন পাওয়া যায়। গীতায় আছে, যে আমাকে না দিয়ে খায়, সে চৌৰ্য্যান্ন খায়।

উমাদা (চরণ)—যে-কোনও মানুষকে যদি দিই তাতেই তো হ’তে পারে।

শ্রীশ্রীঠাকুর—ইষ্টকে দেওয়াতে সুকেন্দ্রিক হয় বেশী। এতে যোগ্যতা বাড়ে। সুপ্ত ক্ষমতা জেগে ওঠে। পূরয়মাণ ইষ্টে সক্রিয় আনতি না হ’লে মানুষ প্রবৃত্তির দাসত্ব থেকে রেহাই পায় না।
…..

২১শে পৌষ, ১৩৫৭, শনিবার, (ইং ৬/১/১৯৫১)

….
ভাটপাড়ার ননীদা (ঘোষ) তর্পণ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলেন।

শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন—এ সব অনুষ্ঠান করা ভাল। এ সব যত করা যায় ততই কৃষ্টিমুখী আবহাওয়াটা ঠিক থাকে।

জনৈক দাদা বললেন সৎসঙ্গীরা তো রোগ-শোকে অনেক কষ্ট পায়।

শ্রীশ্রীঠাকুর—দুঃখ-বিপদ তো আসেই। অন্যেরা যত অভিভূত হয়, সৎসঙ্গীরা ততখানি হয় না। তাদের মনের জোর থাকায় তারা হার মানে কম। আবার, যারা ঠিক-ঠিক যজন-যাজন-ইষ্টভৃতি করে তারা বিপদ-আপদ থেকে রক্ষাও পায় খুব। সৎসঙ্গী হ’ল অথচ আচরণপরায়ণ হ’ল না, যোগ্যতা বাড়ল না, তাতে হবে না।

একজন যদি সৎ হয় এবং উদ্যোগী হয় তাহলে সে দাঁড়াবেই। আর যাদের চরিত্র উন্নত, তাদের মানুষ-সম্পদ বেড়েই চলে।

যারা নিয়মিত ইষ্টভৃতি করে, তারা যে কতভাবে উপকৃত হয়, তার উদাহরণ দেখা গেছে অজস্র। এটা বাদ দিলেই মানুষ অনেকখানি নেমে যায়।

২রা ফাল্গুন, ১৩৫৭, বুধবার, (ইং ১৪/২/১৯৫১)

…..ইষ্টভৃতি-সম্বন্ধে কথা হচ্ছিল।

জ্ঞানদা—ইষ্টভৃতি যে মানুষ করবে, তার পিছনে একটা বিশ্বাস চাই তো !

শ্রীশ্রীঠাকুর—বিশ্বাস অবিশ্বাসের কথা না। তাঁকে দেব, এই সুকেন্দ্রিক আকুতিতে যা’ হবার তা’ হবে। যাঁতে সুকেন্দ্রিক হ’ব, অর্জ্জন করব যাঁর জন্য, আমার adjustment (নিয়ন্ত্রণ) তেমন হবে। আমার বন্ধু-বান্ধব, ছেলে-বৌ, আত্মীয়-স্বজন, টাকা- পয়সা, প্রবৃত্তি, ঘর-সংসার যাবতীয় যা-কিছুর তদনুপাতিক meaningful adjustment (সার্থক বিন্যাস) হ’তে থাকবে। আমার যা-কিছু দিয়ে তাঁকে fulfill (পূরণ) করব। তিনিই সর্ব্বাগ্রে, আমিও সেখানে তলিয়ে গেছি। আমার খাবার আগে তাঁকে নিবেদন মানে আমি আমার জগৎ নিয়ে তাঁকে মুখ্য ক’রে চলছি। দৈনন্দিন ঐ করার ফলে এমন শক্তি সঞ্চিত হ’তে থাকে যে, বিশেষ বিপদ-আপদের মুহূর্তে তাঁর প্রভাবে সহজেই আমরা বিপদ উত্তীর্ণ হ’তে পারি। ইষ্টানুগ চলনে আয়ুর অপব্যয় হয় কম। তাই মূল সম্ভাব্যতার পূর্ণ’ সুযোগটা পাওয়া যায়।

১৯শে ফাল্গুন, ১৩৫৭, শনিবার, (ইং ৩/৩/১৯৫১)

…..
জনার্দ্দনদা—অনেক গোঁড়া বামুনের ছেলেরা কম্যুনিষ্ট হ’য়ে যাচ্ছে।

শ্রীশ্রীঠাকুর—দেশে কৃষ্টিপরাভূতি যখন ঢুকে যায়, তখন যে-কোন মত তারা গ্রহণ করে।

কথায়-কথায় শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন—মানুষ দিলে তার শতগুণ পায়ই। ইষ্টভৃতির রকমের না করলেও মানুষ আমাকে এমনিতেই দিত। আগে আমাকে মানুষ দিত, কিন্তু আমি নিতে চাইতাম না, তাতে মানুষ অত্যন্ত দুঃখিত হ’ত, কাঁদত, এমনকি অজ্ঞান হ’য়ে গেছে। তিনদিন পর্য্যন্ত না খেয়ে থেকেছে, তারপর তখন না নিয়ে করি কী? আর, তাছাড়া মানুষ যত বাড়তে লাগল, যখন বাবার জমির ধানে আর চলে না, তখন মানুষের কাছ থেকে নিতাম। প্রয়োজনমতো সকলকে দিয়ে দিতাম। ও সম্বন্ধে আমার ঠিকই থাকত না, কত কী পেলাম, প্রয়োজন মিটে গেলেই হ’ল। ইষ্টভৃতির কথা যে বলেছিলাম সেটা আমি জানতাম যে, ওর ভিতর দিয়ে মানুষের ভাল হবেই। তাই তাদের মঙ্গলের জন্যই বলেছিলাম ইষ্টকে নিত্য ভাববে, নিত্য নিবেদন করবে, তাতে তাদের কল্যাণ অবধারিত। তুমি মানুষের জন্য লাখ কর, তাতে কিছু হবে না, মানুষ হয়তো মুগ্ধ হয়েও তোমার জন্য কিছুই করবে না। কিন্তু তুমি যদি ইষ্টার্থী এবং ইষ্টপ্রতিষ্ঠাপর হ’য়ে মানুষের সঙ্গে হাসিমুখে দুটো মিষ্টি কথা কও, কাউকে দুটো চাল ভিক্ষা ক’রে দেও, মানুষের সুখ দুঃখের সঙ্গে সমবেদনা নিয়ে জড়িত থাক, বিপদের সময় আশা-ভরসা দেও, দুটো সৎপরামর্শ দেও বা হাতে-কলমে যা পার, তাই কর, দেখবে মানুষ তোমার কত আপন হয়ে গেছে। না চাইতেই প্রাণ ঢেলে দেবে তারা তোমাকে, যার যেমন সামর্থ্য। যত সময় পর্য্যন্ত তোমার প্রতি মানুষের এইভাবের উদ্বোধন না হ’চ্ছে, ততসময় তোমার কিছুই করা হয়নি। কারণ, তুমি আত্মস্বার্থপ্রতিষ্ঠার জন্য করেছ। ইষ্টস্বার্থ প্রতিষ্ঠার ভাব লহমায় আসতে পারে, আবার লাখ বছরেও আসে না। ক’রে দেখ। দাগাবাজী, কপট চাতুরী ছাড় না ব’লে হয় না। সত্যি-সত্যিই ইষ্টস্বার্থ-প্রতিষ্ঠাপ্রাণ না হলে মানুষের মনের গভীরে তেমন দাগ কাটা যায় না, তার প্রাণকে তেমন ক’রে স্পর্শ করা যায় না, যাতে দেবার স্বতঃ উৎসারিত সম্বেগ তার মধ্যে জেগে ওঠে।

২১শে চৈত্র, ১৩৫৭, বুধবার, (ইং ৪/৪/১৯৫১)

……
শ্রীশ্রীঠাকুর সুকুমারভাইকে বললেন—নৌকা যেমন গুণে টেনে নিয়ে যায়, ইষ্টভৃতিও তেমনি মানুষকে টেনে নিয়ে যায়। একটা সুকেন্দ্রিক ধান্দা লেগে থাকে, ওতেই মানুষ ঠিক থাকে। অবশ্য, চাঁদার মতো করে করলে হয় না। মাথায় একটা চাপ লেগে থাকা চাই। আর সব-কিছুর মধ্য-দিয়ে তাঁকে উপচয়ী করার বুদ্ধি চাই। তাহ’লেই মানুষ উপচয়ী হয়। নিজে উপচয়ী হবার বুদ্ধি থাকলে ঐ প্রবৃত্তিটাই বড় হয়, প্রত্যাশাবিধুর হ’য়ে থাকে। তাতে মানুষের নিয়ন্ত্রণও হয় না, বিকাশও হয় না, তাই উপচয়ীও হয়ে ওঠে না।
…..

২রা বৈশাখ, ১৩৫৮, সোমবার, (ইং ১৬/৪/১৯৫১)

……
উমাশঙ্করদা (চরণ)—আমার স্বস্ত্যয়নীর উদ্বৃত্ত চুরি গেছে।

শ্রীশ্রীঠাকুর—ভিক্ষা করে তোলা লাগে। আর, চুরি যাওয়াটাই একটা insulting (অপমানজনক) ব্যাপার। আমি এতখানি অসাবধান কেন হব, যাতে এটা হ’তে পারে। আমাদের মস্তিস্ক ও প্রত্যেকটি ইন্দ্রিয় এতখানি তীক্ষ্ণ, সজাগ ও সচেতন রাখা লাগে, যাতে কিছুতেই এ-সব না ঘটে। যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি এই ক্ষমতা এনে দেয়।
…..

……
ইষ্টভৃতি যার যেমন ক্ষমতা, তেমনভাবে যদি করি, তা আমার জীবন বেঁধে রাখবে। আপদবিপদের মধ্য-দিয়ে বাঁচিয়ে নিয়ে চলবে।
…..

…..
এক-অদ্বিতীয় যিনি তাঁকে কই আমরা ঈশ্বর। তাঁকে তো পাই না, তাঁরই রক্তমাংসসঙ্কুল রূপ হ’লেন ইষ্ট। তাঁকে অবলম্বন ক’রে আমরা যত চলতে পারব, তাঁর নীতি-নির্দ্দেশ যত আমরা মূর্ত ক’রে তুলতে পারব, ততই আমরা সার্থক হব।
….

১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৩৫৮, বুধবার, (ইং ১৬/৫/১৯৫১)

…..
হর্ষোৎফুল্লদা—দৈনন্দিন আহার-অনুপাতে তো ইষ্টকে দেওয়া উচিত?

শ্রীশ্রীঠাকুর—তোমাদের যোগ্যতা বাড়িয়ে সুখে থেকে যদি দাও, সেই আমার ভাল লাগবে। পেটের উপর বাণিজ্য ক’রে দিলে আমার ভাল লাগে না। ইষ্টভৃতি করাটা খুব ভাল, ওটা আমাদের পরম মঙ্গলদায়ক।

১লা আষাঢ়, ১৩৫৮, শনিবার, (ইং ১৬/৬/১৯৫১)

নবদীক্ষিত কয়েকজন বিহারী দাদার সঙ্গে শ্রীশ্রীঠাকুর কথা বলছেন।

শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন—যখন শ্রীকৃষ্ণ এসেছেন, আমি যদি রামচন্দ্রকে ভালবাসি, তাঁকে শ্রীকৃষ্ণের মধ্যেই দেখতে পাব। হনুমানের যেমন হয়েছিল। তিনি আসেন যুগে যুগে, বিভিন্নরূপে। মানুষ টেকী হ’য়ে পড়ে, তাই বর্ত্তমান পুরুষোত্তমকে বুঝতে পারে না। বৃন্দাবনী দল আর রামাইত দল ঝগড়া করে।

ইষ্টভৃতি-প্রসঙ্গে শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন—আগে রাজা-মহারাজারা পর্য্যন্ত ইষ্টার্ঘ্য নিজে মাথায় ক’রে গুরুর কাছে ব’য়ে এনে দিত, এখন অন্ততঃ নিজে পোস্ট অফিস পর্য্যন্ত যাওয়া ভাল অনুকল্পে। গুরুসেবা চাকর-বাকর দিয়ে করতে নেই। নিজে হাতে করতে হয়। গঙ্গাধর কবিরাজ ও তাঁর স্ত্রী নিজে হাতে গুরুসেবা করতেন। এইরকম সেবায় শ্রদ্ধার্হ অনুরাগ বাড়ে, আধ্যাত্মিক ও আধিভৌতিক জীবন বিবর্ত্তিত হ’য়ে ওঠে। মেয়েদের ছেলেপেলে হ’লে চাকর-বাকরের হাতে ছেড়ে দেয় না। নিজেরাই দেখে। ওতে টান বাড়ে। আবার, স্বামীর প্রতি যেমন টান ও নেশা থাকে, ছেলের প্রতি যত্নশীলও হয় তত। তেমনি পরমপিতার প্রতি যদি টান থাকে, নেশা থাকে, অনুরাগ থাকে, দুনিয়ার প্রতিও অমনি দরদ হয়।
…..

৯ই আষাঢ়, ১৩৫৮, রবিবার, (ইং ২৪/৬/১৯৫১)

শ্রীশ্রীঠাকুর সকালে গোলতাঁবুতে এসে বসেছেন।

সুশীলদা (সেনগুপ্ত), মন্মথদা (বন্দ্যোপাধ্যায়) এবং উপস্থিত আর সবাইকে বললেন— ইষ্টার্থপুরণের সক্রিয় ধান্দায় যদি পেয়ে বসে, তার ভিতর-দিয়ে গ্রহদোষও কেটে যায়। কারণ, তখন গ্রহ আর তেমন প্রভাবিত করতে পারে না। সেই জন্য অনেকের উপর অনেক সময় বিশেষ-বিশেষ চাপ দিই। তখন ঐ ব্যাপারটা সমাধা না করা পর্য্যন্ত মনের মধ্যে সাধারণতঃ ঐ চিন্তা ও চেষ্টা লেগেই থাকে। ইষ্টার্থী ধান্দা সবসময় উৎকণ্ঠ আবেগের মতো লেগে থাকা চাই, যেন উদ্ব্যস্ত ক’রে তোলে। তার ফলে উদ্দীপনী আকুতি হয়, brain-cell (মস্তিষ্ক-কোষ) active (সক্রিয়) হ’য়ে ওঠে। ইষ্টভৃতি ঐভাবে না করলে ফল হয় না। রোজ করব, আরও, আরও করব—এই আকুল আগ্রহের ভিতর-দিয়ে বুদ্ধিবৃত্তি ও কর্মবৃত্তি বেড়ে যায় এবং ইষ্টার্থে নিয়ন্ত্রিত হ’য়ে ওঠে।

শ্রীশ্রীঠাকুর পরে বললেন—ব্রাহ্ম মুহূর্তে সূর্য্য ওঠার আগেই সন্ধ্যা-আহ্নিক সেরে ছাদে উঠে প্রভাতের ডগমগলাল সূর্য্যের আলো খালি গায়ে লাগাতে হয়, আর দূর দিগন্তের দিকে চেয়ে থাকতে হয়। এতে শরীর ভাল হয় ও দৃষ্টিশক্তি বেড়ে যায়। সকালে একটু বেড়ানোও ভাল। আগে বুড়োরা ঐসব করতেন। ভোরে বেড়াতে বেড়াতে বাড়ী-বাড়ী খোঁজ খবর নিতেন। ‘উষায় নিশায় মন্ত্রসাধন/চলাফেরায় যপ, যথাসময় ইষ্টনিদেশ/মূর্ত্ত করাই তপ।’

২৮শে আশ্বিন, ১৩৫৮, সোমবার, (ইং ১৫/১০/১৯৫১)

আর এক দাদা এসে মামলা-মোকদ্দমা ও বিপদ-আপদের কথা বললেন।

শ্রীশ্রীঠাকুর—মামলা-মোকদ্দমা করার জন্য যা’ করার ঠিকমত করবে। আর যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি নিয়মিত করবে। ও বড় জবর জিনিস। আমাদের বিপদ-আপদের মধ্যেও রক্ষা করতে পারে ঐ যজন-যাজন-ইষ্টভৃতি।