“তুমি ব’ল না তুমি ভীরু….. ক’রব না।”- ব্যাখ্যা

সত্যানুসরণে প্রাপ্ত বাণীটি হলো:

তুমি ব’ল না তুমি ভীরু, ব’ল না তুমি কাপুরুষ, ব’ল না তুমি দুরাশয়। পিতার দিকে নজর কর, আবেগভরে বল—ওগো, আমি তোমার সন্তান; আমার আর জড়তা নেই, আর দুর্ব্বলতা নেই, আমি আর কাপুরুষ নই, আমি আর তোমাকে ভুলে নরকের দিকে ছুটে যাব না, আর তোমার জ্যোতির দিকে পিছন ফিরে ‘অন্ধকার’ ‘অন্ধকার’ ব’লে চীৎকার ক’রব না।

পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীবড়দার সান্নিধ্যে ব্যাখ্যা :

বাণীটি আলোচনা করার নির্দেশ পেলেন ঋচীনন্দনদা (চক্রবর্তী)।

তিনি বললেন—সবল হৃদয় যাদের, তারাই প্রেম-ভক্তির অধিকারী হ’ন। এর জন্য পরমপিতার কাছে প্রার্থনা করতে হবে, আমি কাপুরুষ নই, আমার কোনরূপ জড়তা, দুর্বলতা নেই। তোমার জ্যোতির দিকে পিছন ফিরে অন্ধকার অন্ধকার বলে চীৎকার করব না। —মানে যা জীবনবৃদ্ধির উল্টো সেদিকে যাব না, তেমন কিছু করব না। সুতরাং আমি দুর্বল হব না। এভাবে প্রেম-ভক্তির অধিকারী হব।

[পিতৃদেবের চরণপ্রান্তে/তাং-২-৬-৮০ ইং]

[প্রসঙ্গঃ সত্যানুসরণ পৃষ্ঠা ১২]