প্রত্যেকের মা-ই জগজ্জননী… এমনতর ভাবতে হয়। – ব্যাখ্যা

সত্যানুসরণ -এ থাকা শ্রীশ্রীঠাকুরের বাণীটি হলো:

প্রত্যেকের মা-ই জগজ্জননী। প্রত্যেক মেয়েই নিজের মায়ের বিভিন্ন রূপ, এমনতর ভাবতে হয়।

পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীবড়দা কর্তৃক ব্যাখ্যা :

শ্রীশ্রীপিতৃদেবের নির্দেশে কৃতিদীপা (বাগচী) আলোচনা শুরু করলো।

কৃতিদীপা—মা’কে জগজ্জননী ভাবতে হবে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—কার মা’কে জগজ্জননী ভাবতে হবে?

কৃতিদীপা—আমার মাকে। কৃতিদীপাকে এরপর নিরুত্তর দেখে শ্রীত্রীপিতৃদেব বললেন—জগজ্জননী মানে জগতের মা।

—তারপর কী আছে?

—প্রত্যেক মেয়েই নিজের মায়ের বিভিন্ন রূপ।

—তার মানে?

মিনতিকে তিনি এ প্রশ্ন করলেন।

মিনতি—ঠাকুর বলেছেন যে সকলেরই মা-ই জগজ্জননী। মা হ’তে গেলে যে-সমস্ত রূপ ফুটে ওঠে তার যে মেয়ে তার মধ্যেও তা দেখা যায়।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব— হ্যাঁ, কিন্তু তাতে তোমার কী?

মিনতি—আমার মা যেরকম, অন্যান্য মেয়েরাও সেরকম। আমার মায়েরই মত—ঠাকুর আমাদের এরকম চিন্তা করতে বলেছেন।

—আমার মায়ের মত মানে!

মিনতিকে নিরুত্তর থাকতে দেখে তিনি নিজেই উত্তর দিলেন—ঠিক আমার মায়ের মত সবাই হয় না। কেউ কালো হচ্ছে, কেউ সাদা হচ্ছে, কেউ লম্বায় ছোট, কেউ-বা বড়—এরকম হয় না?

মিনতি ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানায়।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—তাই ঠাকুর বলেছেন, সকল মেয়েই আমার মায়ের এক-একরকম রূপ। প্রত্যেক মেয়েই আমার মায়ের এক একরকম রূপ ধারণ করে আছে।—এরকম ভাবতে হয়।

[ ইষ্ট-প্রসঙ্গে/তাং-১৯/৪/৭৯ ইং]

[প্রসঙ্গঃ সত্যানুসরণ পৃষ্ঠা ১৬]