বিস্তারে অস্তিত্ব হারাও… প্রেম। – ব্যাখ্যা

সত্যানুসরণ-এ থাকা শ্রীশ্রীঠাকুরের বাণীটি হলো:

বিস্তারে অস্তিত্ব হারাও, কিন্তু নিভে যেও না। বিস্তারই জীবন, বিস্তারই প্রেম।

পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীবড়দা কর্তৃক ব্যাখ্যা :

বাণীটি পাঠ করা হ’তেই শ্রীশ্রীপিতৃদেব বললেন—নে, আলোচনা কর। উপস্থিত সকলে পরস্পর মুখ চাওয়া-চাওয়ি করতে থাকলে তিনি বললেন—নিত্যানন্দ বল্‌।

নিত্যানন্দ মণ্ডল—“বিস্তারে অস্তিত্ব হারাও”,—অর্থাৎ ঠাকুর এখানে আমাদের বিস্তারের মধ্যে ডুবে যেতে বলছেন। বিস্তারের মধ্যে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে বলছেন। নিজেকে হারিয়ে ফেলা অর্থে ‘আমি’-‘আমি’ বোধের বিলুপ্তি ঘটান অর্থাৎ যাতে ‘এটা আমি করলাম’, ‘এটা আমার’—এই ভাব না থাকে। ‘আমি’-‘আমি’ এই অহঙ্কারবোধ না থাকাই হচ্ছে বিস্তারে অস্তিত্ব হারান। আর নিভে যাওয়া অর্থে ‘আমি-আছি’—এই বোধ চেতনায় না থাকা। অনেকে যেমন ধ্যানস্থ হয়ে আর পূর্বতন চেতনার রাজ্যে ফিরে আসেন না। এটা হ’ল নিভে যাওয়া।

বিষয়টা আরও পরিষ্কার করার জন্য নিত্যানন্দদা বলতে শুরু করলেন—রামকৃষ্ণ ঠাকুরের এক গল্প আছে। চার-বন্ধু ভ্রমণ করতে-করতে পাঁচিল ঘেরা একটা জায়গা দেখতে পেল। খুব উঁচু পাঁচিল। ভেতরে কি আছে দেখার জন্য সকলে উৎসুক হ’ল। পাঁচিলে একজন উঠল। উঁকি মেরে যা’ দেখলো, তা’তে অবাক হয়ে হা-হা-হা-হা ক’রতে ক’রতে ভেতরে প’ড়ে গেল। আর কোন খবর দিল না। যেই ওঠে সেই হা-হা-হা-হা ক’রে পড়ে যায়—এই হ’ল নিভে যাওয়া।

এবার প্রশ্ন উঠল, কিন্তু বিস্তার বলতে কী বুঝব? আর কি-ভাবেই বা তাতে অস্তিত্ব হারান হয়?

সুধীরদা (রায়চৌধুরী) শ্রীশ্রীপিতৃদেবের নিকট কিছু বলার অনুমতি চেয়ে শুরু করলেন—আমার মনে হয়, বিস্তারে অস্তিত্ব হারাও অর্থে আমি ইষ্টে এমনভাবে বিভোর থাকব যে, নিজেকে ভুলে যাব। আমার স্নান, খাওয়া ইত্যাদির দিকে নজর না দিয়ে ইষ্টকাজের প্রেরণায় মেতে থাকব। মানুষ অনেক সময় নিজের খাওয়া-পরা, ঘর-সংসার এ-সব চিন্তায় মেতে থাকে। কিন্তু আমরা এমন ভাবে ইষ্টকাজে মেতে থাকব যেন এ-সবের চিন্তাই না করি। ইষ্টকাজ করতে গিয়ে যেন খাওয়া-পরা, ঘর-সংসার, বিষয়-আশয় সব ভুলে যাই—এটাই বিস্তারে অস্তিত্ব হারান।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—বাঃ, তাহ’লে তাড়াতাড়িই নিভে যেতে হবে!

(এবার সকলে একসঙ্গে হেসে উঠলেন)

জনৈক দাদা বিবেকানন্দের উদাহরণ দিয়ে বললেন—বিবেকানন্দ যেমন, শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ঠাকুরের নিকট গিয়ে একেবারে পরিবর্তিত হ’য়ে গেলেন। তাঁর আচার-ব্যবহার, পোশাক-পরিচ্ছদ প্রভৃতির পরিবর্তন হয়ে গেল। ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়লেন। শুভ্র-বসন ছেড়ে গেরুয়া পরলেন—আমার মনে হয় এটাই বিস্তারে অস্তিত্ব হারান।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—আমরা যদি গেরুয়া পরে সন্ন্যাসী হই, তাহ’লে কী বিস্তারে অস্তিত্ব হারান হয়?বিবেকানন্দ বিস্তারে অস্তিত্ব হারিয়েছিলেন কি না, তা’ আমরা কি ক’রে বুঝব?

অনেকেই ঠিক বিষয়টা বুঝতে পারছে না দেখে শ্রীশ্রীপিতৃদেব একটা clue (ইঙ্গিত) তুলে ধরলেন। বললেন—আমরা অধিকাংশই নিজেদের বৃত্তি-প্রবৃত্তি চরিতার্থ করার জন্যেই যাবতীয় কিছু করি, ঘর-সংসার করি, বিষয়-আশয়ে আসক্ত হই। কিন্তু ইষ্টের সঙ্গে যুক্ত হ’লে এ-রকম হয় না। তখন তাঁকে খুশি করার জন্য যা-সব করি।

গুরুকিঙ্করদা (পাণ্ডে)—’বিস্তারে অস্তিত্ব হারাও’ অর্থে এখানে ইষ্টের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—হ্যাঁ। ঠাকুরের সঙ্গে যুক্ত হ’লাম—সেইটাই তো বিস্তার। আমি ছিলাম ক্ষুদ্র, ব্যক্তিকেন্দ্রিক। ঠাকুরের সঙ্গে যুক্ত হ’লাম। তাঁতে অস্তিত্ব হারালাম। (একটু থেমে) তাঁতে অস্তিত্ব হারালাম কিভাবে?

পণ্ডিতদা—আজ্ঞে, একটা গান শুনেছি—’তোমার মাঝে আমার আমি, হয়ে আছি আমি হারা’ (ইত্যাদি)—এটাই মনে হয় বিস্তারে অস্তিত্ব হারানো, কিন্তু নিভে না যাওয়া!

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—এটা কেমন? ‘হয়ে আছি আমি হারা’—কেমন?

কেউ বিষয়টা পরিষ্কার করতে পারছে না দেখে শ্রীশ্রীপিতৃদেব এবার দয়া ক’রে বললেন—বিস্তারে অস্তিত্ব হারানো অর্থে আমার বৃত্তি-প্রবৃত্তি সব দিয়ে তাঁর (ইষ্টের) সেবা করা। সবই তাঁর (ইষ্টের) জন্য করি, এটাই বিস্তারে অস্তিত্ব হারানো। আমার আমি তাঁ’তে দিচ্ছি। আমার বৃত্তি-প্রবৃত্তির ধার ধারছি না, আমার যা’-যা’ আছে সব তাঁর সেবায় লাগাচ্ছি। এটাই বিস্তারে অস্তিত্ব হারানো। এবার নিভে যাওয়াটা বল্‌।

পরমেশ্বরদা (পাল)—যখন আমার মাঝে আমি নেই, যখন আমি নিজেকে ঈশ্বর উপলব্ধি করছি, আমার অস্তিত্ব নেই, তখনই নিভে যাওয়া। নিজের separate (পৃথক) অস্তিত্ববোধ না থাকাই হচ্ছে নিভে যাওয়া।

পণ্ডিতদা শ্রীশ্রীপিতৃদেবের দিকে তাকিয়ে বললেন—আজ্ঞে, এখানে দুটো sense (ধারণা) আসতে পারে। একটা হচ্ছে বিস্তারের মধ্যে বিলীন হওয়া, অর্থাৎ বিস্তারের মধ্যে লয়প্রাপ্ত হওয়া, আরেকটা হচ্ছে নিজে-নিজেই নির্বাপিত হওয়া বা বিলুপ্ত হওয়া—এ দু’টো sense (ভাব)-এর মধ্যে কোনটা ঠিক হ’বে?

পরমেশ্বরদা—এখানে বিস্তারে অস্তিত্ব হারানোর কথা আছে এবং তারপর নিভে না যেতে বলা হচ্ছে। অর্থাৎ, এখানে বিস্তারের মধ্যে প্রবেশ করে বিলুপ্ত হওয়া বা নিজের অস্তিত্ববোধ হারিয়ে না ফেলার কথা হচ্ছে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব এ-কথায় সম্মতি জানালেন।

সতীশদা (পাল) এবার প্রশ্ন তুললেন—ইস্টকে ধ’রেও অনেককে বিপথগামী হ’তে দেখি। অনেকদিন হয়তো ঠাকুর ধরেছে কিন্তু এখন উল্টো পথে চলছে—এটা কি নিভে যাওয়া?

বসওয়ানদা (সিং)—ইষ্টকে ধ’রে উল্টো পথে চলা মানেই হ’ল কেন্দ্রচ্যুত হওয়া। বিস্তারে অস্তিত্ব হারানো এস্থলে আর সম্ভব নয়। সুতরাং এখানে ঠাকুরের এ-বাণীর অর্থের দিক থেকে নিভে যাওয়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না। ইষ্টনির্দেশের উল্টোপথে চলা হ’ল ইস্ট-বিমুখ হওয়া। সুতরাং বিস্তারে অস্তিত্ব হারান হচ্ছে না, নিভে যাওয়াও হচ্ছে না।

আরও পরিষ্কার করার জন্য বসওয়ানদা বললেন—তুমি প্রভু, আমি দাস,—এই ভাব নিয়ে থাকাই বিস্তারে অস্তিত্ব হারানো। এ ভাব না রেখে প্রভুর সাথে এক হয়ে যাওয়া বা বিলীন হওয়া অর্থে নিভে যাওয়া। চিনির রস খেতে গিয়ে রসের মধ্যে ডুবে যাওয়াই হ’ল নিভে যাওয়া।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—হ্যাঁ, নিভে যাওয়া ব্যাপারটা হচ্ছে তাঁ’তে লয়প্রাপ্ত হওয়া। ঐ চিনির রস খেতে-খেতে রসের মধ্যে প’ড়ে যাওয়ার মত। তখন আর রস খাওয়া হয় না। ঠাকুর ইষ্টেরই হয়ে যেতে বলেছেন, কিন্তু নিভে যেতে নিষেধ করেছেন। কারণ, তাতে আমার enjoyment (উপভোগ) আর হয় না।

এবার শ্রীশ্রীপিতৃদেব উপস্থিত সকলকে জিজ্ঞাসা করলেন—নিভে যাওয়াটা ওর সঙ্গে (‘বিস্তারে অস্তিত্ব হারাও’-এর সঙ্গে) যোগ করার প্রয়োজন কী? আমি যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি করছি, ইষ্টকাজ নিয়েই আছি, নিভে যাচ্ছি কি ক’রে?

সকলকে নির্বাক দেখে শ্রীশ্রীপিতৃদেব আরেকবার প্রশ্নটা উল্লেখ ক’রে ব্যাখ্যা করলেন—কিন্তু নিভে যাওয়াটা কি-রকম হচ্ছে? নিভে যাওয়াটা হচ্ছে ওই-সব (ইষ্টকাজ) করতে-করতে অনেক সময় সাধকের বোধ হয় সবই তো তিনি। তিনিই সব করছেন, আমি কি করছি? আমার করার কি আছে? এই ভাব আসতে-আসতে করার ভাব আর থাকে না। শরীরটাও জড় হয়ে ওঠে। তখন এই শরীরে কোন কাজ করতে পারি না। মনও অফ্‌ (off) হয়ে যায়। কিছুই করতে ইচ্ছা করে না, তখন আসে ‘নিভে যাওয়া।’

যেমন ধর,—পরমহংসদেব বলেছেন, নুনের পুতুল সাগর মাপতে গিয়েছিল। মাপতে গিয়ে লয় হয়ে গেল। সাগর মাপা আর হ’ল না। তেমনি ইষ্টকাজ করছি, যজন-যাজন করছি, circle (কর্মক্ষেত্র) বিস্তার লাভ করছে। যজন-যাজন করতে-করতে এভাবে মানুষ অনুভব করে সবই তো তিনি। এর মধ্যে আমার করার কি আছে? ঠাকুর এখানে আমাদের সাবধান ক’রে দিচ্ছেন। বিস্তারে অস্তিত্ব হারাও মানে তাঁরই (ইষ্টের) সেবায় নিযুক্ত থাক। কিন্তু নিভে যেও না অর্থাৎ তাঁতে বিলুপ্ত হয়ে যেও না।

সাধন-ভজনে যে সমাধি হয়, তা’ বিস্তারের মধ্য-দিয়েই হয়। ব্যক্তিসত্তা যখন প্রেমে merged (বিলীন) হয়ে যায় তখন দেহটা নশ্বর বোধ হয়। আর দেহ ধ’রে আসতে ইচ্ছা করে না।

সাধন-ভজনের উদ্দেশ্য-প্রসঙ্গে শ্রীশ্রীপিতৃদেব বললেন—আমরা যে সাধন-ভজন করি, নাম-ধ্যান করি তা’ হ’ল হৃদয়ের দরজা খুলে তাঁর (ঈশ্বরের) আসার অপেক্ষায় থাকা। যে-কোন সময় তিনি আসতে পারেন। এই যে ইষ্টকাজ করছি, এটা হ’ল তিনি কখন আসবেন সেই প্রতীক্ষায় ব্যাকুল হ’য়ে থাকা। যে-কোন সময় তিনি আসতে পারেন—সেজন্য প্রস্তুত থাকা।

হয়তো সারাজীবন ধ’রে সাধনা করছি, তাঁর দর্শন পাচ্ছি না। কিন্তু কেউ কয়েকদিন ক’রেই তাঁর দর্শন পেতে পারে। দর্শন পাওয়া তাঁরই ইচ্ছায়—তিনি যখন ইচ্ছা দর্শন দেবেন।

তবে এভাবে প্রতীক্ষায় থাকলে দর্শন পাবই। একদিন-না-একদিন তাঁর দর্শন পাবই।

পরমেশ্বরদা—আজ্ঞে , বৃত্তি-প্রবৃত্তিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করলে তবেই কি তাঁর দর্শন পাওয়া সম্ভব?

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—বৃত্তি-প্রবৃত্তির উপর mastery (কর্তৃত্ব) কেউ করতে পারে না। সেটা তাঁর হাত। বৃত্তি-প্রবৃত্তি নিয়ে যত তাঁর সেবায় থাকব তত কি হচ্ছে না হচ্ছে, তা’ তিনি ব্যবস্থা করবেন। সেটা তাঁর ব্যাপার। আমার করার আছে, শুধু সব-কিছু দিয়ে তাঁর সেবা করা। তাঁর সেবায় নিযুক্ত থাকলে ওগুলো (বৃত্তি-প্রবৃত্তিগুলো) strong (বেগবতী) হয়। Sense গুলো (অনুভূতিসমূহ) fine (সূক্ষ্ম), finer (সূক্ষ্মতর), finest (সূক্ষ্মতম) হ’তে থাকে। যে যত ইষ্টপ্রাণ, তার ইন্দ্রিয়গুলি তত প্রখর। শ্রবণশক্তি প্রবল, ঘ্রাণশক্তি প্রবল, সব শক্তি প্রবল হয়। রাগ-দ্বেষ এ-সবও হয় প্রবল। প্রয়োজনক্ষেত্রে সবগুলো প্রকাশ পায়। আসল ব্যাপার হচ্ছে, আমার যা’-যা’ আছে সব নিয়ে তাঁর সেবায় লাগা। যা’ তাঁর সেবায় লাগে না, তার প্রতি আমার বিরাগ আসে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব ভাববিভোর হ’য়ে ব’লে চললেন—বৈরাগ্য মানে কী? তার মানে ইষ্টের প্রতি এত টান থাকে যে, অন্য জিনিসের উপর বীতরাগ আসে। জোর ক’রে কি বৈরাগ্য আসে—ইস্ট-অনুরাগ ছাড়া? বৈরাগ্য আসে ইষ্টকাজ করতে-করতে। যা’ তাঁর সেবায় লাগে না, তিনি পছন্দ করেন না—তা’ ঝেড়ে ফেলে দেওয়া; তার থেকে বিরাগ আসে যা’ তিনি পছন্দ করেন না—এটাই বৈরাগ্য। এককালে হয়তো মাছ ছাড়া আমার চলত না। মাছ ছাড়া ভাত খেতে পারতাম না। এখন ঠাকুর ধ’রে আর মাছ খেতে মন চায় না—মাছ খেতে বিরাগ আসে। এ-রকম আমাদের কতজনের হয়েছে। যার তা’ আসে সেই বুঝতে পারে। এটা সহজও যেমন আবার কঠিনও তেমন।

এক ভাই পাশ থেকে প্রশ্ন করল—বড়দা, তাঁর (ইষ্টের) দর্শন পাওয়া জিনিসটা কেমন?

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—এটা অনুভূতির ব্যাপার। ভক্তের যার যেমন অনুভব। ‘অনুভব’ কথাটার মধ্যে আছে পরে (পশ্চাতে) হওয়া। অনু—পশ্চাতে, ভব—হওয়া। তুমি যেমন হবে তেমনি পাবে।

এবার শ্রীশ্রীপিতৃদেব এ ভাইটিকে জিজ্ঞাসা করলেন—তাঁর দর্শন পাওয়া সম্বন্ধে তোমার কী মনে হয়?

উক্ত ভাই—আজ্ঞে, আমার মনে হয়, তিনি সর্বত্র বিরাজ করেন; সর্বঘটে তিনি আছেন।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—ঐভাবেই তুমি তাঁকে পাবে। আবার কেউ-কেউ তাঁকে বাস্তব মানুষরূপে নেয় এবং সেই ভাবেই তাঁর দর্শন পায়। এটা সাধকের অনুভূতির ব্যাপার। আবার সাধকের এক-একটা stage-এ (ভাবভূমিতে) এক-এক রকম অনুভূতি হয়। সবাই তো একভাবে তাঁর ভজনা করে না—একভাবে তাই পায়ও না।

[ইষ্ট-প্রসঙ্গে/তাং-১০/৩/৭৪ ইং]

[প্রসঙ্গঃ সত্যানুসরণ পৃষ্ঠা ১০৮-১১০]