সংযত হও, কিন্তু নির্ভীক হও।

সত্যানুসরণ-এ থাকা শ্রীশ্রীঠাকুরের বাণীটি হলো:

সংযত হও, কিন্তু নির্ভীক হও।

পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীবড়দা কর্তৃক ব্যাখ্যা :

শ্ৰীশ্ৰীপিতৃদেবের নির্দেশে বাণীটির আলোচনা শুরু করলেন গোবর্ধনদা।

—সংযত হওয়া অর্থ গুরুজনদের নিকট যেমনভাবে কথা বলতে হবে সেভাবে বলা। বিনয়ের সাথে গুরুজনদের কথা মেনে নেওয়া।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—নিভীক হওয়া মানে কী?

গোবর্ধনদা—নির্ভীক হওয়া মানে ভয়শূন্য হওয়া।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—সংযত হওয়া এবং নির্ভীক হওয়া—এই দুটো কথার মধ্যে সম্পর্ক কী?

—আজ্ঞে, সংযত না হ’লে নির্ভীক হওয়া যায় না।

—সংযত হওয়া কেমন?

—সংযত হ’লে উচ্ছৃঙ্খলতা থাকে না। যেমন, আমাকে যদি কেউ কিছু বলে, আমি ক্রুদ্ধ হ’য়ে উঠব না।

গুরুকিঙ্করদা—সব অবস্থায় আমাকে কি নীরবে সহ্য করতে হবে?

গোবর্ধনদা—না, তা নয়। আমাকে যদি কেউ কিছু বলে আমি সহ্য করব ও বিনীত থাকব। তাই ব’লে আমার ইষ্ট-সম্বন্ধে কেউ কিছু বাজে কথা বললে—তখন ছেড়ে দেব না।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—তা’হলে সংযত হচ্ছে কোথায়?

গোবর্ধনদা—ক্রোধভাব থেকে সংযত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—হ্যাঁ, তা বলতে পার। কিন্তু দুটো কথার মধ্যে সামঞ্জস্য কী—বোঝা গেল না।

এবার শ্রীশ্রীপিতৃদেব পরমেশ্বরদাকে ‘সংযত হওয়া’ ও ‘নির্ভীক হওয়া’, উভয়ের মধ্যে সম্বন্ধ বুঝিয়ে বলতে আদেশ করলেন।

পরমেশ্বরদা (পাল)—নানা কারণে আমরা সংযত হই। হয়তো, উদ্ধত হ’য়ে কাউকে কটু কথা বললাম, কারো প্রাণে আঘাত দিলাম, পরে এই ঘটনা স্মরণ ক’রে সংযত হই। তখন হয়তো আর কাউকে এ-রকম না বলার চেষ্টা করি। এই হ’ল সংযত হওয়া। অনেক ক্ষেত্রে আবার ভয়ে সংযত হই। হয়তো গুরুকিঙ্করদা কিছু অন্যায় বললেন, কিন্তু আমি দেখলাম গুরুকিঙ্করদা খুব শক্তিশালী লোক, রাশভারি লোক; কোন কথার উত্তর দিলাম না। আর গুরুজন যাঁরা তাঁদের কাছেও ভয়ে সত্য কথা বলতে পারি না। এমন না বলা, না করাই সত্যের অপলাপ ঘটায়—যা’ কোন প্রকারেই হওয়া উচিত নয়; যা’ সত্য তা’ অকপটভাবে প্রকাশ করাই নির্ভীকতা।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—অনেক সময় আমরা সংযত হ’তে গিয়ে যেখানে যা’ বলা প্রয়োজন তা’ বলি না, যেমনভাবে যা’ করা প্রয়োজন তা’ করি না। তাহলে সংযত হওয়া আর নির্ভীক হওয়া—এ’দুটো কথার মধ্যে কোন contradiction (বিরোধ) আছে না-কি (পরমেশ্বরদার দিকে তাকিয়ে)?

পরমেশ্বরদা—আজ্ঞে, তা নেই।

—হ্যাঁ, আমার মনে হয় সংযত না হওয়া তা ক্রোধবশেই হোক আর যে-কারণেই হোক—তার তো একটা expression (প্রকাশ) আছে। এই expression থেকেই সংযত হ’তে বলা হচ্ছে। যেমন ধর, কাউকে বললে (উঁচু গলায়) কি মশাই, কী বলেছেন, এ-সব করেছেন কি? এতে তোমার ঔদ্ধত্যই প্রকাশ পেল। এই ধরণের কথা ব’লে তাকে তাতিয়ে দিলে। এতে তোমার কোন লাভ হ’ল না, বরং ক্ষতিই হ’ল। কিন্তু তুমি সংযত হ’য়ে যদি বলতে (নরম সুরে) আপনি এ-সব কি বলেছেন? আপনার কাছে এ-রকম কথা আশা করিনি। তখন সে বলত, রাগের মাথায় ক’রে ফেলেছি, দয়া ক’রে কিছু মনে করবেন না। এতে উভয়েরই লাভ। সংযত হ’য়ে কিছু বললে তার action (ক্রিয়া)-ই অন্যরকম হয়—তাতে পরিবেশও উপকৃত হয়। একই কথা তা বলার রকমে রাগ বা ঔদ্ধত্য প্রকাশ পায় আবার মিষ্টি ক’রে বললে ঐ কথাই মানুষের হৃদয় স্পর্শ করে। শুধুমাত্র যথার্থ কথা বলাতেই যে নির্ভীকতা প্রকাশ পায় তা নয়, যেখানে যেভাবে যা’ বলা ও করা প্রয়োজন সেখানে সে-ভাবে ঠিক-ঠিক মত বললে ও করলে তবেই নির্ভীকতা প্রকাশ পায়।

যে নির্ভীক সে সংযতই থাকে। সকলের যাতে মঙ্গল হয়, কল্যাণ হয় তা-ই করে। অযথা শক্তির অপব্যবহার করে না।

বসওয়ানদা (সিং)—আমরা সাধারণতঃ জানি নির্ভীক ব্যক্তি যা খুশি তাই করতে পারে, কিন্তু ঠাকুর যে বাণী দিয়েছেন তাতে বোঝা যাচ্ছে নির্ভীক যে সে-ই সংযত হয়।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—ঠাকুর যে-সব বাণী দিয়েছেন আমার নিজেকে সে-ভাবে গ’ড়ে তুলতে হবে—এ-বোধ আমাদের প্রত্যেকের ভেতর পাকা হওয়া চাই। আমরা রোজ সত্যানুসরণ পাঠ করি, এ-বাণীগুলো আমাদের চরিত্রগত হওয়া প্রয়োজন। ঠাকুর বাণী দিয়েছেন আমার (আমাদের) তৈরি হওয়ার জন্য —আমার চরিত্র-গঠনের জন্য।

পণ্ডিতদা—পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র সম্বন্ধে ঠাকুরের যা’-যা’ বলা আছে, অনেকেই বলে, এ-গুলো কি বাস্তবে চরিত্রগত করা সম্ভব?

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—এ-কথা ঠাকুরকেও শুনতে হয়েছে অনেক বার। ঠাকুরের কাছে তখন প্রফুল্ল (দাস), দেবী (মুখার্জী) থাকত। ঠাকুর বলতেন, ওরা সব লিখে যেত। আরও অনেকেই থাকত। ঠাকুর প্রায় সবসময়ই বাণী দিতেন—এমন-কি স্নান-পায়খানার দিকে যাচ্ছেন, সে সময়ও কখনও-কখনও তিনি ব’লে চলতেন। একদিন ঠাকুর বাণী দিচ্ছেন, মায়া মাসিমা এসে বলছেন—’তুমি যে রাত-দিন এত সব ব’লে চলেছো, এ-সব করবে কে? এ-সবে হবে কী? কার জন্য দিচ্ছ এ-সব?’—এ-রকম প্রায়ই বলতেন। ঠাকুরের এতে অস্বস্তিই হ’ত কিন্তু কিছু বলতেন না। সেদিন মায়া মাসিমা ও-কথা বলতেই ঠাকুর উপস্থিত সবাইকে একে-একে জিজ্ঞাসা করলেন—বাণীগুলো কার জন্য? সকলেই বলল—এ-গুলো আমাদের জন্য। তারপর আমাকে দেখে ঠাকুর জিজ্ঞাসা করলেন—বাণীগুলো কার জন্য রে? আমি বললাম—আজ্ঞে, আমার জন্য। ঠাকুর তখন মায়া মাসিমাকে বললেন—ঐ তো, ওর জন্যই দিচ্ছি; ও-ই পালন করবে। (একটু থেমে) ঠাকুর বলেছেন, আমার যা’ দেবার দিয়ে যাচ্ছি, এ-গুলো ছাপা থাকবে। যদি একজনও থাকে সে করবে। আর যদি না-ও থাকে তাহলে বাণীগুলো থাকবে—ভবিষ্যতে যদি কেউ আসে সে-ই করবে।

বসওয়ানদা—আজ্ঞে , হ্যাঁ। মায়া মাসিমার ও-কথা আমরাও শুনেছি।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—বাণীগুলো যে পড়বে তারই জন্য। যে নেবে (অনুভব করবে) তার জন্য। ঠাকুর আমাদের প্রত্যেকের জন্যই তাঁর বাণী দিয়েছেন—আমাদেরই মঙ্গলের জন্য। যারা ভাবে বাণীগুলো আমাদের সকলের জন্য তারা নিজের করার কথা ভাবে না, নিজেরা এড়িয়ে চলতে চায়। এটা কোনমতেই ঠিক না। ঠাকুর সকলের মঙ্গলের জন্যই বাণী দিয়েছেন। সকলের জন্য মানে কী?—তিনি সকলের প্রভু। আমি যেমন তাঁর পুজা করতে পারি তেমনি লক্ষ-লক্ষ লোক তাঁর পূজা করতে পারে, করেও তাই। এই পূজা করা, তাঁকে ভক্তি করা—এ-সবের expression আছে। চলন-বলন, আচার-আচরণে এই expression ধরা পড়ে।

পন্ডিতদা—আজ্ঞে, আমাদের যারা ঠাকুরের সঙ্গ করেছে, ঠাকুরের বই পড়েছে, যারা ঠাকুরবাড়ি আনাগোনা করে তাদের আচার-ব্যবহারই পালটে গেছে। আমাদের পরিচিত মানুষের মধ্যেই দেখছি কত পরিবর্তন।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব খুশি হ’য়ে বললেন—হ্যাঁ, এই তো ঠাকুর চেয়েছেন। আমি দেখেছি—এই যে আমাদের উৎসব হয়, কত দূর-দূর থেকে কত মানুষ আসে—ঠাকুরবাড়ি এলেই তারা কিছু-না-কিছু হাতে নিয়ে আসে। আর, এভাবে আসাই শাস্ত্রের বিধি। এমনি কোন সাধু-দর্শনে গেলে, বাইরে কোথাও গেলে বা যেখানেই হোক কিছু-না-কিছু নিয়েই যেতে হয়। এ-রকম যে করে তারই মঙ্গল। প্রণামের বেলায়ও ঐ-রকম। অনেকেই ছেলে-মেয়ে নিয়ে ঠাকুর-প্রণাম করে, প্রত্যেকের হাতে কিছু-কিছু দিয়ে তবে করে। হয়তো স্বামী-স্ত্রী-নিজেরা প্রণামী দিয়ে প্রণাম করল, ছেলে-মেয়েদেরও প্রত্যেকের হাতে কিছু-কিছু দিয়ে প্রণাম করতে বলল। এ-ভাবে করাই আদর্শ। এতেই মঙ্গল—কেউ বুঝুক বা না বুঝুক।

পরমেশ্বরদা—ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবেরও এরূপ কথাই বলা আছে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—শ্রদ্ধা-ভক্তি হল অন্তরের জিনিস। এ-সব বাড়িয়ে তুলতে হয়। বাস্তবভাবে করার মধ্যেই তা বেড়ে ওঠে। বাস্তবভাবে করার মধ্যেই শ্রদ্ধা-ভক্তির কর্ষণ হয় হৃদয়ভূমিতে।

[ ইষ্ট-প্রসঙ্গে/তাং-১৯/৪/৭৫ইং]

“সংযত হও, কিন্তু নির্ভীক হও।”—বাণীটি ধৃতিদীপি বক্সী আলোচনা করতে গিয়ে পুনরায় পাঠ করল।শ্রীশ্রীপিতৃদেব তাকে প্রশ্ন করলেন—সংযত মানে কি?

—সহ্য করা।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—তাড়াতাড়ি না করা, ধীরে-সুস্থে করা; কোন রাগ, কোন দুঃখ, কোন উত্তেজনার বশবর্তী না হওয়াকে সংযত বলে।

লালদা (রামনন্দন প্রসাদ)—নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—কোন উত্তেজনাকে নিয়ন্ত্রিত করবে তো! (অজয় সিং-কে) তারপর কি আছে?

অজয়—নির্ভীক হও।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—নির্ভীক মানে? ভয়শুণ্য, নিডর। সংযত হও আর নির্ভীক হও—এই দুটোর সাথে কি মিল আছে?

অজয় চুপ থাকাতে নিজেই বললেন—যেমন লালদা গুরুজন, লালদা তোকে বকলেন, কিন্তু তুই দোষ করিস নাই। একজন বলেছে—দোষ করেছে। তখন লালদা তোকে বলল—তোমার দ্বারা কিছু হবে না, তুম একদম বরবাদ হো গিয়া। তখন ধৈর্য্য ধরতে হবে, তারপরে নির্ভীক হতে হবে। পরে বলতে হবে আমি তো করি নাই। না বললে লালদা মনে করবে তুমিই দোষ করেছ। এই রকম সব কাজের মধ্যেই সংযত হয়ে নির্ভীক হতে হয়। রাস্তায় সাপ-টাপ থাকে, যাওয়া-আসা প্রয়োজন। তখন বিবেচনা করে যাবি। নির্ভীক হবি, কিন্তু সাবধানে যাবি। জোর করে হুটপাট করে যাবি না। ঠাকুরের বাণী আমাদের জীবনে প্রত্যেক সময় দরকার। বল্‌, কি হল?

অজয়—সংযত, ধীর-স্থির ভাবে করতে হবে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—ভাড়াতাড়ি যাওয়া দরকার, সাপটাকে এড়াতে হবে, তাও নির্ভয়ে নিডর হয়ে করতে হবে। মানুষের উত্তেজনা আসে তো! কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মাৎসর্য্য আসে। সেগুলোকে নিয়ন্ত্রিত করতে হয়। হয়তো কিছু একটা নিতে ইচ্ছা হল—তখন বলে নিতে হয়। আমার এটা নিতে ইচ্ছা হচ্ছে।

[ পিতৃদেবের চরণপ্রান্তে/তাং-১৬/৮/৭৯ ইং ]

শ্রীশ্রীপিতৃদেব হরিপদদা (দাস)-কে আলোচনা করতে বললেন।

হরিপদদা—নির্ভীক হলে সংযত হওয়া যায়।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব বললেন—সংযত মানে ইন্দ্রিয় ভোগলিপ্সা হতে মুক্ত হওয়া। উদাহরণ দিয়ে বাণীটি যেমন আছে বুঝিয়ে দিতে বললেন।

হরিপদদা—রাস্তা দিয়ে যাচ্ছি ভীষণ জলতেষ্টা পেয়েছে। কাছে যে সব জল নদী-নালা ইত্যাদি রয়েছে সে সব পানের অনুপযুক্ত। সামনে একটা ডাব গাছ আছে, পেড়ে খাওয়া যায়; কেউ কাছে নেই। কিন্তু তা’ ঠিক নয়। তাই ঐ গাছের মালিককে খুঁজে বের করলাম এবং বললাম—আমার খুব তেষ্টা পেয়েছে যদি একটা ডাব দেন তবে খেয়ে তৃপ্ত হই। যা’ পয়সা লাগে আমি দেব।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—কি, বোঝা যাচ্ছে?

গুরুকিঙ্করদা—আজ্ঞে বোঝা যাচ্ছে—আর একটু পরিষ্কার হলে ভাল হত। ঐ গাছের মালিকের ইচ্ছা হলে দিতে পারে, নাও দিতে পারে। আবার এও হতে পারে, ঘরে ভাল পানীয় জল আছে, খান—এও বলতে পারে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব বাণীটির অর্থ পরিষ্কার হওয়ার জন্য নিজের জীবনের একটা ঘটনা বললেন—একবার শ্রীশ্রীঠাকুরের জন্য ডাবের ভীষণ প্রয়োজন হ’ল। কোথাও পাওয়া গেল না, অনেক ভাবে; অনেক চেষ্টা করা সত্বেও। একটা সন্ধান পাওয়া গেল। কিন্তু ঐ বাড়ির সাথে ভীষণ গণ্ডগোল চলছে, মোকদ্দমাও চলছে। ঐ বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও ডাব গাছ নেই।

শুনে আমি বললাম—আচ্ছা, আমি চেষ্টা করে দেখি। সবাই নিষেধ করলেন—ওদের সাথে গণ্ডগোল চলছে, গেলেই বিপদ হতে পারে; যাওয়া উচিত হবে না! কিন্তু শ্রীশ্রীঠাকুরের প্রয়োজন বলে সব বাধাকে উপেক্ষা করে নির্ভয়ে গেলাম এবং শ্রীশ্রীঠাকুরের জন্য ডাব বিশেষ প্রয়োজন তা’ বুঝিয়ে বললাম। যাতে দেন সেইভাবে মিষ্টি করে বললাম এবং এও বললাম—অনেক চেষ্টা করা হয়েছে, পাওয়া যাচ্ছে না তাই! এরপর ঐ বাড়ি থেকে ডাব নিয়ে এলাম শ্রীশ্রীঠাকুরের জন্য। ওনারা ভাল ব্যবহার করলেন, অন্য কিছু না বলে ডাব পেড়ে দিলেন।

বাণীটি সহজে সবাই বুঝতে পেরেছে জেনে এবং বেশ কিছু সময় আছে দেখে পরের বাণীটি পড়তে বললেন।

[ তাঁর সান্নিধ্যে/তাং-২২/৩/৭৪ ইং]

[প্রসঙ্গঃ সত্যানুসরণ পৃষ্ঠা ১২১-১২৪]