স্কুলে গেলেই তা’কে ছাত্র…..পরম আনন্দে। – ব্যাখ্যা

সত্যানুসরণ-এ থাকা শ্রীশ্রীঠাকুরের বাণীটি হলো:

স্কুলে গেলেই তা’কে ছাত্র বলে না, আর, মন্ত্র নিলেই তা’কে শিষ্য বলে না, হৃদয়টি শিক্ষক বা গুরুর আদেশ পালনের জন্য সৰ্ব্বদা উন্মুক্ত রাখতে হয়। অন্তরে স্থির বিশ্বাস চাই। তিনি যা’ই ব’লে দেবেন তাই ক’রতে হবে, বিনা আপত্তিতে, বিনা ওজরে বরং পরম আনন্দে।

পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীবড়দা কর্তৃক ব্যাখ্যা :

ভাস্বতী চ্যাটাজী আলোচনা করার নির্দেশ পেয়ে বাণীটি পুনরায় পাঠ করে বলল—যে স্কুলে যায় সেই ছাত্র হয় না। আবার গুরুর মন্ত্র নিলেই তাকে শিষ্য বলে না।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—সে তো লেখাই আছে, আলোচনা করতে হয়। নিজেই বলে দিলেন—অন্তরে গুরুর প্রতি বা শিক্ষকের প্রতি স্থির বিশ্বাস রেখে—কোন অছিলা না রেখে তাঁর আদেশ পালন করলে তবেই সার্থকতা। যে ছাত্র বা শিষ্য গুরুর আদেশ আনন্দ সহকারে পালন করে সে ছাত্র স্কুলে গেলে কৃতকার্য হয়—সে শিষ্য দীক্ষা নিলে কৃতকার্য হয়। তা না হলে স্কুল up & down (আসা-যাওয়া), ঠাকুরবাড়ি up & down (আসা-যাওয়া) করলেই হয় না। গন্তব্য অধরাই থেকে যায়।

অন্নদা-দা (মাজী)—সত্যানুসরণে আছে এক জায়গায়—“সদগুরুর আদেশ পালনের মত আর মন্ত্র কী আছে?”

শ্রীশ্রীপিতৃদেব—হ্যাঁ।

[পিতৃদেবের চরণপ্রান্তে/তাং-২৫/৮/৭৯ ইং]

[প্রসঙ্গঃ সত্যানুসরণ পৃষ্ঠা ১৩৫]