কপটতা নিয়ে সত্যানুসরণ

কপটতা নিয়ে শ্রীশ্রীঠাকুর সত্যানুসরণে বলেছেন…..

যদি সাধনায় উন্নতি লাভ ক’রতে চাও, তবে কপটতা ত্যাগ কর।

[উপরের “যদি সাধনায়….কর” বাণীটির ব্যাখ্যা]

কপট ব্যক্তি অন্যের নিকট সুখ্যাতির আশায় নিজেকে নিজেই প্রবঞ্চনা করে, অল্প বিশ্বাসের দরুন অন্যের প্রকৃত দান হ’তেও প্রবঞ্চিত হয়।

[উপরের “কপট ব্যক্তি…হয়” বাণীটির ব্যাখ্যা]

তুমি লাখ গল্প কর, কিন্তু প্রকৃত উন্নতি না হ’লে তুমি প্রকৃত আনন্দ কখনই লাভ ক’রতে পারবে না।

[উপরের “তুমি লাখ … না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

কপটাশয়ের মুখের কথার সঙ্গে অন্তরের ভাব বিকশিত হয় না, তাই আনন্দের কথাতেও মুখে নীরসতার চিহ্ন দৃষ্ট হয়; কারণ, মুখ খুললে কী হয়, হৃদয়ে ভাবের স্ফূর্ত্তি হয় না।

[উপরের “কপটাশয়ের…হয় না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

অমৃতময় বারি কপটের নিকট তিক্ত লবণময়, তীরে যাইয়াও তার তৃষ্ণা নিবারিত হয় না।

[উপরের “অমৃতময় বারি…হয় না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

সরল ব্যক্তি ঊর্দ্ধদৃষ্টিসম্পন্ন চাতকের মত। কপটী নিম্নদৃষ্টিসম্পন্ন শকুনের মত। ছোট হও, কিন্তু লক্ষ্য উচ্চ হোক; বড় এবং উচ্চ হ’য়ে নিম্নদৃষ্টিসম্পন্ন শকুনের মত হওয়ায় লাভ কী?

[উপরের “সরল ব্যক্তি…লাভ কী” বাণীটির ব্যাখ্যা]

কপট হ’য়ো না, নিজে ঠ’ক না, আর অপরকে ঠকিও না।

[উপরের “কপট…ঠকিও না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

Leave a Comment