খেয়াল, বিস্তার, কর্ম্ম ও সাধনা প্রসঙ্গে

খেয়াল, বিস্তার, কর্ম্ম ও সাধনা প্রসঙ্গে শ্রীশ্রীঠাকুর সত্যানুসরণের ২৭, ২৮ পৃষ্ঠায় বলেছেন….

যে-খেয়াল বিবেকের অনুচর, তারই অনুসরণ কর, মঙ্গলের অধিকারী হবে।

[উপরের “যে-খেয়াল…হবে।” বাণীটির ব্যাখ্যা]

বিস্তারে অস্তিত্ব হারাও, কিন্তু নিভে যেও না। বিস্তারই জীবন, বিস্তারই প্রেম।

[উপরের “বিস্তারে.. প্রেম” বাণীটির ব্যাখ্যা]

যে-কর্ম্মে মনের প্রসারণ নিয়ে আসে তাই সুকৰ্ম্ম; আর, যাতে মনে সংস্কার, গোঁড়ামি ইত্যাদি আনে; ফলকথা, যাতে মন সংকীর্ণ হয় তাই কুকর্ম্ম।

[উপরের “যে-কর্ম্মে…কুকর্ম্ম” বাণীটির ব্যাখ্যা]

যে-কৰ্ম্ম মানুষের কাছে ব’লতে মুখে কালিমা পড়ে, তা’ ক’রতে যেও না। গোপন যেখানে ঘৃণা-লজ্জা-ভয়ে সেইখানেই দুর্ব্বলতা, সেইখানেই পাপ!

[উপরের “যে-কর্ম্ম…পাপ” বাণীটির ব্যাখ্যা]

যে-সাধনা ক’রলে হৃদয়ে প্রেম আসে, তাই কর; আর, যাতে ক্রুরতা, কঠোরতা, হিংসা আসে, তা’ আপাততঃ লাভজনক হ’লেও তার কাছে যেও না।

[উপরের “যে-সাধনা… না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

তুমি যদি এমন শক্তি লাভ ক’রে থাক, যাতে চন্দ্র-সূৰ্য্য কক্ষচ্যুত ক’রতে পার, পৃথিবী ভেঙ্গে টুকরা-টুকরা ক’রতে পার বা সব্বাইকে ঐশ্বৰ্য্যশালী ক’রে দিতে পার, আর যদি হৃদয়ে প্রেম না থাকে, তবে তোমার কিছুই হয়নি।

[উপরের “তুমি যদি… কিছুই হয়নি।” বাণীটির ব্যাখ্য]