মনোমালিন্য ও বন্ধুত্ব প্রসঙ্গে সত্যানুসরণ

মনোমালিন্য ও বন্ধুত্ব প্রসঙ্গে শ্রীশ্রীঠাকুর সত্যানুসরণের পৃষ্ঠা নং ২৩, ২৪ এ বলেছেন…

যার উপর ক্রুদ্ধ হয়েছ, আগে তা’কে আলিঙ্গন কর, নিজ বাটীতে ভোজনের নিমন্ত্রণ কর, ডালা পাঠাও এবং হৃদয় খুলে বাক্যালাপ না-করা পর্য্যন্ত অনুতাপের সহিত তার মঙ্গলের জন্য পরমপিতার কাছে প্রার্থনা কর; কেন না, বিদ্বেষ এলেই ক্রমে তুমি সংকীৰ্ণ হ’য়ে প’ড়বে; আর, সংকীর্ণতাই পাপ ।

[উপরের “যার উপর ক্রুদ্ধ…পাপ” বাণীটির ব্যাখ্যা]

যদি কেহ তোমার কখনও অন্যায় করে, আর একান্তই তার প্রতিশোধ নিতে হয়, তবে তুমি তার সঙ্গে এমন ব্যবহার কর যাতে সে অনুতপ্ত হয় ; এমনতর প্রতিশোধ আর নেই—অনুতাপ তুষানল । তাতে উভয়েরই মঙ্গল।

[উপরের “যদি…মঙ্গল” বাণীটির ব্যাখ্যা]

বন্ধুত্ব খারিজ ক’রো না, তা’ হ’লে শাস্তিতে সমবেদনা ও সান্ত্বনা পাবে না।

[উপরের “বন্ধুত্ব…না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

তোমার বন্ধু যদি অসৎও হয়, তা’কে ত্যাগ ক’রো না, বরং প্রয়োজন হ’লে তার সঙ্গ বন্ধ কর, কিন্তু অন্তরে শ্রদ্ধা রেখে বিপদে-আপদে কায়মনোবাক্যে সাহায্য কর; আর অনুতপ্ত হ’লে আলিঙ্গন কর।

[উপরের “তোমার..কর।” বাণীটির ব্যাখ্যা]

তোমার বন্ধু যদি কুপথে যায়, আর তুমি যদি তাকে ফিরাতে চেষ্টা না কর বা ত্যাগ কর, তার শাস্তি তোমাকেও ত্যাগ ক’রবে না।

[উপরের “তোমার বন্ধু…না” বাণীটির ব্যাখ্যা”]

বন্ধুর কুৎসা রটিও না বা কোনও প্রকারে অন্যের কাছে নিন্দা ক’রো না; কিন্তু তাই ব’লে তার নিকট তার কোন মন্দের প্রশ্রয় দিও না।

[উপরের “বন্ধুর কুৎসা…না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

বন্ধুর নিকট উদ্ধত হ’য়ো না, কিন্তু প্রেমের সহিত অভিমানে তা’কে শাসন কর।

[উপরের “বন্ধুর নিকট…কর” বাণীটির ব্যাখ্যা]

বন্ধুর নিকট কিছু প্রত্যাশা রেখো না, কিন্তু যা’ পাও, প্রেমের সহিত গ্রহণ ক’রো। কিছু দিলে পাওয়ার আশা রেখো না, কিন্তু কিছু পেলে দেওয়ার চেষ্টা ক’রো।

[উপরের “বন্ধুর…ক’রো।” বাণীটির ব্যাখ্যা]