সদগুরুকে পরীক্ষা সম্বন্ধে সত্যানুসরণ

সদগুরু নিয়ে সত্যানুসরণে শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছেন….

যদি পরীক্ষক সেজে অহঙ্কার নিয়ে সদগুরু কিংবা প্রেমী সাধুগুরুকে পরীক্ষা ক’রতে যাও, তবে তুমি তাঁতে তোমাকেই দেখবে, ঠ’কে আসবে।

[উপরের “যদি পরীক্ষক…আসবে” বাণীটির ব্যাখ্যা]

সদগুরুকে পরীক্ষা ক’রতে হ’লে তাঁর নিকট সঙ্কীর্ণ-সংস্কারবিহীন হ’য়ে, ভালবাসার হৃদয় নিয়ে, দীন এবং যতদূর সম্ভব নিরহঙ্কার হ’য়ে যেতে পারলে তাঁর দয়ায় সন্তুষ্ট হওয়া যেতে পারে।

[উপরের “সদগুরুকে পরীক্ষা… পারে” বাণীটির ব্যাখ্যা]

তাঁকে অহং-এর কষ্টিপাথরে কষা যায় না, কিন্তু তিনি প্রকৃত দীনতারূপ ভেড়ার শিঙে খণ্ড-বিখণ্ড হন।

[উপরের “তাঁকে অহং….হন।” বাণীটির ব্যাখ্যা]

হীরক যেমন কয়লা প্রভৃতি আবৰ্জ্জনায় থাকে, উত্তমরূপে পরিষ্কার না ক’রলে তার জ্যোতি বেরোয় না, তিনি তো তেমনি সংসারে অতি সাধারণ জীবের মত থাকেন, কেবল প্রেমের প্রক্ষালনেই তাঁর দীপ্তিতে জগৎ উদ্ভাসিত হয়। প্রেমীই তাঁকে ধ’রতে পারে। প্রেমীর সঙ্গ কর, সৎসঙ্গ কর, তিনি আপনিই প্রকট হবেন।

[উপরের “হীরক যেমন…প্রকট হবেন।” বাণীটির ব্যাখ্যা]

অহঙ্কারীকে অহঙ্কারী পরীক্ষা ক’রতে পারে। গলিত-অহংকে কি ক’রে সে জানতে পারবে? তা’র কাছে একটা কিম্ভূত-কিমাকার—যেমন অজমূর্খের কাছে মহাপণ্ডিত।

[উপরের “অহঙ্কারীকে অহঙ্কারী…মহাপন্ডিত।” বাণীটির ব্যাখ্যা]