সদগুরুর শরণাপন্ন হওয়া ও উন্নতির অন্যান্য উপায়

শ্রীশ্রীঠাকুর সদগুরুর শরণাপন্ন হওয়া সহ উন্নতির আরো বেশ কয়েকটি উপায় সম্বন্ধে সত্যানুসরণের পৃষ্ঠা নং ৬২, ৬৩ তে বলেন….

তুমি লতার স্বভাব অবলম্বন কর, আর, আদর্শরূপ বৃক্ষকে জড়িয়ে ধর—সিদ্ধকাম হবে।

[উপরের “তুমি…হবে” বাণীটির ব্যাখ্যা]

যদি তোমার আদর্শের কথা ব’লতে আনন্দ, শুনতে আনন্দ, তাঁর চিন্তায় আনন্দ, তাঁর হুকুম পেলে আনন্দ, তাঁর আদরে আনন্দ, অনাদরেও আনন্দ হয়, তাঁর নামে হৃদয় উথলে ওঠে—আমি নিশ্চয় বলছি, তোমার উন্নয়নের জন্য আর ভেব না।

সদ্‌গুরুর শরণাপন্ন হও, সৎ-নাম মনন কর ; আর, সৎসঙ্গের আশ্রয় গ্রহণ কর—আমি নিশ্চয় ব’লছি, তোমাকে আর তোমার উন্নয়নের জন্য ভাবতে হবে না।

[উপরের “সদগুরু…না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

তুমি ভক্তিরূপ জল ত্যাগ ক’রে আসক্তিরূপ বালির চড়ায় বহুদূর যেও না, দুঃখরূপ সূৰ্য্যোত্তাপে বালির চড়া গরম হ’লে ফিরে আসা মুশকিল হবে ; অল্প উত্তপ্ত হ’তে-হ’তে যদি না ফিরে আসতে পার, তবে শুকিয়ে মরতে হবে।

[উপরের “তুমি…হবে” বাণীটির ব্যাখ্যা]

ভাবমুখী থাকতে চেষ্টা কর, পতিত হবে না বরং অগ্রসর হ’তে থাকবে।

[উপরের “ভাবমুখী…থাকবে” বাণীটির ব্যাখ্যা]

গুরুমুখী হ’তে চেষ্টা কর, আর মনের অনুসরণ ক’রো না—উন্নতি তোমাকে কিছুতেই ত্যাগ ক’রবে না।

[উপরের “গুরুমুখী…না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

বিবেককে অবলম্বন কর, আর মনের অনুসরণ ক’রো না—উদারতা তোমাকে কখনও ত্যাগ ক’রবে না।

[উপরের “বিবেককে…না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

সত্যকে আশ্রয় কর, আর অসত্যের অনুগমন ক’রো না—শান্তি তোমাকে কিছুতেই ছেড়ে থাকবে না।

[উপরের “সত্যকে…না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

দীনতাকে অন্তরে স্থান দাও—অহঙ্কার তোমার কিছুই ক’রতে পারবে না।

[উপরের “দীনতাকে…না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

যা’ ত্যাগ ক’রতে হবে তার দিকে আকৃষ্ট বা আসক্ত হ’য়ো না—দুঃখ হ’তে রক্ষা পাবে।

[উপরের “যা’…পাবে” বাণীটির ব্যাখ্যা]