সৎ হওয়া, নাম-যশ, নিষ্কাম-সকাম কর্ম সত্যানুসরণ

শ্রীশ্রীঠাকুর সত্যানুসরণের ১৯, ২০ পৃষ্টায় বলেন……

নিজের দোষ জেনেও যদি তুমি তা’ ত্যাগ ক’রতে না পার, তবে কোনও মতেই তার সমর্থন ক’রে অন্যের সর্ব্বনাশ ক’রো না।

[উপরের “নিজের…ক’রো না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

তুমি যদি সৎ হও, তোমার দেখা-দেখি হাজার-হাজার লোক সৎ হ’য়ে প’ড়বে। আর, যদি অসৎ হও, তোমার দুর্দ্দশার জন্য সমবেদনা প্রকাশের কেউই থাকবে না; কারণ, তুমি অসৎ হ’য়ে তোমার চারিদিকই অসৎ ক’রে ফেলেছ।

তুমি ঠিক-ঠিক জেনো যে, তুমি তোমার, তোমার নিজ পরিবারের, দশের এবং দেশের বর্ত্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য দায়ী।

[উপরের “তুমি ঠিক-ঠিক জেনো..দায়ী” বাণীটির ব্যাখ্যা]

নাম-যশের আশায় কোন কাজ ক’রতে যাওয়া ঠিক নয়। কিন্তু কোন কাজ নিঃস্বার্থভাবে ক’রতে গেলেই কার্য্যের অনুরূপ নাম-যশ তোমার সেবা ক’রবেই ক’রবে।

[উপরের “নাম-যশের….ক’রবে” বাণীটির ব্যাখ্যা]

নিজের জন্য যা’ই করা যায় তাই সকাম; আর, অন্যের জন্য যা’ করা যায় তাই নিষ্কাম। কারো জন্য কিছু না-চাওয়াকেই নিষ্কাম বলে—শুধু তা’ নয়কো ।

[উপরের “নিজের জন্য….নয়কো।” বাণীটির ব্যাখ্যা]

দিয়ে দাও, নিজের জন্য কিছু চেও না; দেখবে সব তোমার হ’য়ে যাচ্ছে।

[উপরের “দিয়ে দাও…যাচ্ছে” বাণীটির ব্যাখ্যা]