ব্রহ্মজ্ঞান বিষয়ক নির্দেশ

শ্রীশ্রীঠাকুর সত্যানুসরণের ২৪, ২৫ পৃষ্ঠায় ব্রহ্মজ্ঞান বিষয় নির্দেশ দিয়েছেন….

যতদিন তোমার শরীর ও মনে ব্যথা লাগে, ততদিন তুমি একটি পিপীলিকারও ব্যথা নিরাকরণের দিকে চেষ্টা রেখো, আর তা’ যদি না কর, তবে তোমার চাইতে হীন আর কে?

তোমার গালে চড় মারলে যদি ব’লতে পার, কে কাকে মারে, তবে অন্যের বেলায় বল, ভালই। খবরদার ! নিজে যদি না ভাবতে পার, তবে অন্যের বেলায় ব’লতে যেও না।

[উপরের “তোমার…যেও না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

যদি নিজের কষ্টের বেলায় সংসারী সাজো, অন্যের বেলায় ব্রহ্মজ্ঞানী সেজো না। বরং নিজের দুঃখের বেলায় ব্রহ্মজ্ঞানী সাজো আর অন্যের বেলায় সংসারী সাজো, এমন ভেলও ভাল।

[উপরের “নিজের…ভাল” বাণীটির ব্যাখ্যা]

যদি মানুষ হও তো নিজের দুঃখে হাস, আর পরের দুঃখে কাঁদ।

[উপরের “যদি মানুষ…কাঁদ” বাণীটির ব্যাখ্যা]

নিজের মৃত্যু যদি অপছন্দ কর, তবে কখনও কাউকে ‘মর’ ব’ল না।

[উপরের “নিজের মৃত্যু… বল না” বাণীটির ব্যাখ্যা]

Leave a Comment